শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১

জেনে নিন ডাবের জল আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী

 ডাবের জল যে আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এটা মোটামুটি সবারই জানা। কিন্তু ডাবের জল ঠিক কতটা উপকারী বা  ঠিক কী কী উপকার ডাবের জল খেলে আপনি পাবেন, এবং কেন তা কি জানা আছে? আসুন জেনে নেওয়া যাক ডাবের জলের আশ্চর্য সব উপকারিতা...




১.ডাবের জলে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস থাকে তাই ডাবের জল মুখে লাগালে ত্বক শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে আর্দ্রতায় পরিপূর্ণ হয়।

২. ডাবের জল শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. ডাবের জলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্ম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৪. নিয়মিত ডাবের জল খেলে শরীরের অতিরিক্ত ক্লোরিন, পটাশিয়াম ও সাইট্রেট বেরিয়ে যায় এবং কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫. ডাবের জলে থাকা বায়ো- এক্টিভ এনজাইম, যা হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের সঠিক ভাবে মেটাবলিজম হতে সাহায্য করে।

৬. ডাবের জলে থাকে প্রচুর পরিমাণ ইলেকট্রোলাইটস, তাই নিয়মিত এটি খেলে ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

৭. কচি ডাবের জল শরীরের মেদ ঝরিয়ে দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে..

▪︎ডাবের জলের গুণাবলী বলে শেষ করা যাবে না। শুধু স্বাদে নয় গুণেও ভরপুর এই মিষ্টি পানীয়। ডাবের জল খেলে আপনি থাকবেন সুস্থ এবং ঝরঝরে। তাই এই গরমে চুটিয়ে ডাবের জল খান এবং শরীরকে সুস্থ ও  তারজাটা রাখুন।

(Note - This is informative article, before apply you can consult with the beauty expert or doctor and then apply. if any type of problem arise after using above remedies, we will be not responsible)


রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১

শীতকালীন গাল ফাটা প্রতিরোধ করতে দারুন ঘরোয়া টিপস দেখে নিন!

 দৈনিক জীবনের ব্যাস্ততার জন্য সময়ের অভাবে শীতকালে যারা সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় পান না শীতকালীন শুষ্ক আবহাওয়ায় তাদের গাল ,হাত ফেটে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।বিশেষ করে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন না নিলে খুব তাড়াতাড়ি শীতকালে তাদের গাল ফেটে যায়।সে ছোট হোক বা বড় শীতকালীন শুস্ক আবহাওয়ার জন্য আমাদের স্কিন ড্রাই হয়ে যায় এবং ফেটে যায়, এটা যাতে না হয় তার জন্য আমাদের স্কিনের ময়শ্চারটা লক করতে হবে স্কিন থেকে ময়শ্চার বেরিয়ে যায় বলেই স্কিন ফেটে যায়। তাই সব থেকে জরুরি আমাদের স্কিন পরিষ্কার রাখতে হবে তবে স্কিনের ময়শ্চার লক করা যাবে। নিম্নে কিছু ঘরোয়া টিপস দেওয়া হল যা ব্যবহার করলে আপনার বা আপনার বাচ্চার গাল ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন। দেখে নিন সেই দুর্দান্ত টিপস গুলি....


১. প্রথমত গাল ফেটে গেলে একটু গরম জলে তুলো ভিজিয়ে সেই তুলো দিয়ে আস্তে আস্তে গাল পরিষ্কার করে নিন। এবার পরিষ্কার করে ফাটা জায়গায় বেশি করে একটু মশ্চারাইজার তুলো দিয়ে লাগিয়ে নিন।
Winter skin care


২. দ্বিতীয়তঃ ফেটে  যাওয়া জায়গায় দুধের শ্বর ১-২ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। এতে খুব তাড়াতাড়ি ফাটা ত্বক মসৃণ ও চকচকে হয়ে উঠবে।

৩. তৃতীয়তঃ গাল ফেটে গেলে বা মুখের ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে কাঁচা দুধ তুলো করে পুরো মুখে বা ফাটা জায়গায় লাগিয়ে ১-২ ঘন্টা পর ধুয়ে নিন।দুধ ত্বকে  ময়শ্চারটা এর যোগান দেয় ফলে শুষ্ক ও খসখসে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

৪. চতুর্থত ১ চামচ গ্লিসারিন ও ১ চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়ে গালের ফাটা অংশে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন ।এটা ২-৩ তিন দিন ব্যবহার করলে গালের ফাটা অংশ ঠিক হয়ে যাবে এবং মুখ দেখাবে মসৃণ ও সুন্দর।

উপরিউক্ত ঘরোয়া পদ্ধতি গুলি সঠিক মত ব্যবহার করলে আপনি অবশ্যই শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা ও ফাটা থেকে রেহাই পাবেন এবং আপনার ত্বক দেখবে মসৃণ ও লাবণ্যময়ী।  
(Note - This is informative article, before apply you can consult with the beauty expert or doctor and then apply. if any type of problem arise after using above remedies, we will be not responsible)

বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮

ব্রণ এর দাগ থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন?

ব্রণ ত্বক থেকে চলে যাওয়ার পরেও তার ছাপ ছেড়ে যায় আমাদের ত্বকে যা ত্বককে  করে তোলে জৌলুসহীন ও অমসৃণ.
এগুলি থেকে মুক্তি পেতে কিছু ঘরোয়া উপকারী খুব সহজ  টোটকা তৈরী করে ব্যবহার করে নিন, নিম্ন্নলিখিত উপায়ে...

আমাদের এই ব্লগ পোস্ট টি ফলো করুন আর মুক্তি পান ব্রোনোর ছাপ থেকে ... ঘরোয়া টোটকা 

পদ্ধতি- ১)  

১ চামচ টক দই, ১ চামচ মুলোর রস একসাথে মিশিয়ে নিন ,এবার তুলো নিন এবং ওই রসের মধ্যে তুলো ভিজিয়ে  দাগের জায়গা গুলিতে ভালো করে লাগিয়ে দিন. এইভাবে ১৫ মিনিটস বসে থাকুন . তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন. সপ্তাহে ২-৩ দিন.করতে থাকুন এটি. এই পদ্ধতি আপনার ত্বক উজ্জ্বল এবং দাগ হীন করে তুলবে. 

পদ্ধতি- ২ )  
১ চামচ ধনেপাতার রস নেবেন, আর এক চামচ হলুদ নেবেন শুধু! এবার এই দুটি কে ভালো করে মিশিয়ে নিন. এবার এই মিশ্রণ টিকে ভালো করে গালের দাগ এর ওপর লাগান. ১৫ মিনিটের মতন রেখে দিন. তারপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন. সপ্তাহে ২-৩ দিন বার করতে পারেন তাহলে তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন. 

পদ্ধতি- ৩ ) 
১/২ কাপ জলে ১ চামচ বা একটি কর্পূর ফেলে সেই জল তুলো দিয়ে  ব্রনোর দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন ১৫ ওর ২০ মিনিট.  ,প্রথম ১ মাস রোজ বা সপ্তাহে ৪-৫ দিন ব্যবহার করুন. উপকার পাবেন. 
Remove acne problem

পদ্ধতি- ৪) 
বাড়িতে যদি তুলসী পাতা থেকে থাকে তাহলে তুলে নিন ১৫ অথবা ২০ টি তুলসীর পাতা. কিছু তা জল নিন একটা পাত্রে তারপর জলটি গরম করুন এবং তার মধ্যে তুলসী পাতা গুলো দিয়ে একটু ফুটিয়ে নিন. এবার ওই গরম জলের ভাপ টা মুখে নিন. সপ্তাহে ২-৩ বার করলেই অনেক উপকার পাবেন. 

পদ্ধতি- ৫) 
এটি একটি সহজ পদ্ধতি.  ১চামচ বেকিং সোডা ও ২ চামচ নারকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ,ব্রনোর দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন ৫-৭ মিনিট তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিন,২-৩ দিন সপ্তাহে করুন, উপকার পাবেন.

পদ্ধতি- ৬)
একটি ডিম্ নিন. তার মধ্যে থেকে হলুদ অংশ বাদ দিয়ে দিন. এবার একটি পাত্রে ডিমের সাদা অংশ টা নিন আর তার সাথে  ২ চামচ লেবুর রস. এবার ওই মিশ্রণ টি ভালো করে মুখের ওপর লাগিয়ে রাখুন.  প্রতি সপ্তাহে ২ - ৩ বার করুন ব্রণ দাগ মিলিয়ে যাবে. 

পদ্ধতি- ৭)
২ চামচ দই আর ২ চামচ থেঁতো শশা ভালো করে মিশিয়ে নিন ৫ মিনিট মুখের উপর লাগিয়ে রাখুন.এতে ব্রনোর দাগ কমে আসে. সপ্তাহে ৩-৪ দিন করতে পারেন.

পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলি  আর পেতে থাকুন ফ্রি টিপস -

(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.) 





 

সোমবার, ৫ জুন, ২০১৭

মধু খাওয়ার উপকারিতা - জেনে নিন

১) মধুতে থাকে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্লাভোনোইডস যা ক্যান্সার এবং হৃদ রোগের প্রবণতা কিছুটা কম করে থাকে.

২)আলসার কমতে সাহায্য করে থাকে .হজম  শক্তি বৃদ্ধি করে 

৩)মধু শরীরে উৎপন্ন হওয়া বিভিন্ন এন্টি-ব্যাকটেরিয়া,এন্টি-ফাঙ্গাস কমাতে সাহায্য  করে.

৪)সর্দি-কাশি কমাতে এবং গলার ব্যাথা/জ্বালা  ভাব কমাতে সাহায্য  করে.

advantages of honey
Advantages of Honey


৫)ব্লাড-সুগার কমাতে সাহায্য করে 

৬)ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে.

৭)দুর্বলতা কাটিয়ে শরীরে শক্তি জোগাতে  সাহায্য করে.

৮)মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে.

৯)  মেদ কমাতে সাহায্য করে.

১০)অনিদ্রা মোচনে সাহায্য করে.

১ ১ )মাথার খুশকি কমাতে সাহায্য করে 

১ ২) বিভিন্ন প্রকার এলার্জি প্রতিহত করতেও কার্যকরী.

পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলি  আর পেতে থাকুন ফ্রি টিপস -

গরম কালে কি ভাবে শরীর ঠান্ডা রাখবেন ?


(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.) 

শুক্রবার, ২৬ মে, ২০১৭

গরম কালে কি ভাবে শরীর ঠান্ডা রাখবেন ?

গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহ থেকে শরীর কে সুস্থ ও ঠান্ডা রাখতে হলে এই বিষয়েগুলিতে নজর দিন -

১)এই গরমে সব সময় ব্যবহার করুন সুতির ফুল হাতা জামা-কাপড় এবং যারা স্কুটি ,সাইকেল প্রভৃতি নিয়মিত ব্যবহার করেন স্কুল,কলেজ,অফিস ইত্যাদি স্থানে  যাওয়ার জন্যে তারা ভালো করে মুখ ঢেকে নিন এবং ফুল হাত জামা কাপড় পড়ুন ও শান-গ্লাস পড়ুন..তাছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোলে কেউ ছাতাটি ভুলবেন না.

২)খাওয়া-দাওয়া -এই সময়ে বাড়ির রান্না হোক একটু হালকা ,প্রতিদিন বাড়ির মেনু তে রাখুন একটু তেঁতো,টক ডাল ,সালাদ শাক-সবজি মূলত লাউ,ঝিঙে পেঁপে ..রাতে অথবা দুপুরে একটু টক দই.,এমন ফল খান যাতে রয়েছে জল যেমন -তরমুজ,ফ্রুটি,শশা,তাছাড়া পাকা পেঁপে ,আঙ্গুর,মুসাম্বি   এবং প্রতিদিন খান একটি করে কাঁঠালি কলা যা আপনার পেট পরিষ্কার রাখবে এবং দৈহিক শক্তি ও বজায় রাখবে.

৩)কমপক্ষে ২-৩ লিটার জল খান,তাতে নুন-চিনি মিশিয়ে খান এবং রোদে বেরোনোর আগে তাতে মিশিয়ে নিন একটু লেবু..ডাবের জল খুব উপকারী এই সময়ে.
Summer Tips
Summer Tips


৪)ভালো করে ঠান্ডা জলে শ্নান করুন ,তবে অনেকেই দেখা যায় স্নান করছেন ২-৩ বার  বা তার ও বেশি ,এতে অনেক সময়ে সর্দি-কাশি ও হয়ে যায় তাই স্নান না করে একটু ঠান্ডা জলে তোয়ালে ভিজিয়ে গা মুছে নিন..

৫)সকালে উঠে মেথি ভেজানো জল বা মৌরি-মিছরির জল খান.

৬)সূর্য মাথার উপর ওঠার আগে একটু ভোর ভোর হেটে নিন.হালকা যোগা ও প্রাণায়াম করুন,এই সময়ে শীতলী প্রাণায়াম  করুন শরীর ও মন দুই শান্ত থাকবে.তাছাড়া ঠান্ডা জল বা অন্যান্য পানিও থেকে দূরে থাকুন ,রাস্তার কাটা ফল,বিভিন্ন শরবত বা তেল জাতীয় ভাজা খাবার থেকে দূরে থাকুন,ধূমপান/মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন, কখনই বাইরে থেকে ফিরেই স্নান করবেন না একটু বসে  ঘাম শুকিয়ে নিন সঠিক সময়ে ঘুম ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন ,মাথা ঠান্ডা রাখুন চিৎকার -চেঁচামেচি কম করুন,কারণ এগুলো আমাদের দেহ ও  মস্তিস্ক কে উত্তেজিত  করে তোলে ফলে অনেক সময়ে বড় বিপদ ঘটে,.বাচ্ছাদের বিকেলে একটু খেলতে যেতেদিন এতে ঘাম হবে হোক চিন্তা নেই,খেলে ফিরে আসলেই জল দেবেন না অন্তত আধ ঘন্টা পর জল বা অন্যান কোনো পানিও দিন তবে তা কখনই ঠান্ডা জাতীয়  কিছু না.এই ভাবে গরম এ নিজেকে ও পরিবারের লোকজন কে সুস্থ ও ভালো রাখুন.

পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলি  আর পেতে থাকুন ফ্রি টিপস -

ঘামাচির হাত থেকে মুক্তির উপায়ে


(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.) 

মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০১৭

ঘামাচির হাত থেকে মুক্তির উপায়ে

গ্রীস্মকালে ঘাম জমে জমে, ত্বকের উপর একপ্রকার দানা দানা তৈরী হয়ে থাকে,তাকে ঘামাচি বলা হয়ে.ঘাড়ে,গলায়,কপালে এগুলি বেশি হয়ে থাকে.অত্যন্ত কষ্ট দায়ক এই ঘামাচি,প্রচন্ড ইরিটেশন হয়ে ফলে অনেক সময়ে আমার নখ দিয়ে আচড়াতে গিয়ে নখের বিষে বাড়িয়ে ফেলি,এরফলে আবার ত্বক ও খস খসে হয়ে ওঠে. এগুলি সাধারণত তাদের ই বেশি হয়ে যারা প্রচন্ড ঘামেন এবং রোদের তাপ সহ্য করতে পারেন না.

প্রতিকার -

 ১)কাজু বাদামের তেল ব্যবহার করুন.
২)স্রানের এক ঘন্টা আগে ১ চামচ সোডা,এক কাপ গল্প জলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন .
৩)একফালি আপেল কেটে ঘামাচি স্থানে হালকা হাতে ঘষে নিন.

Skin rashes on summer
Skin Rashes on Summer


৪) ১ চামচ নিমপাতা বাটা,লবঙ্গ ৩-৪ টা,তুলসীপাতার রসে মিশিয়ে ঘামাচির জায়গাগুলি টা ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন,
৫)১ চামচ চন্দন বাটা ,১ চামচ কাঁচা হলুদ,ও ১ চিমটে কর্পূর মিশিয়ে ব্যবহার করুন.
৬)লজ্জাবতী পাতার রস লাগলেও ঘামাচির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব.

তাছাড়া রোদে কালো ছাতা ,চশমা ব্যাবহার করুন,কখনোই গরম কালে পাউডার লাগিয়ে বেরোবেন না তাতে ও ঘামাচি হয়ে,জল খান বেশি করে,ঘাম মুছে ফেলুন সুতির কাপড় দিয়ে তা শুকনো অথবা ভিজিয়েও নিতে পারেন.

পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলি  আর পেতে থাকুন ফ্রি টিপস -

শরীরে বিভিন্ন জায়গা তে কালো ছোপ উঠবার পদ্ধতি - জেনে নিন!

(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.) 

বুধবার, ১০ মে, ২০১৭

শরীরে বিভিন্ন জায়গা তে কালো ছোপ উঠবার পদ্ধতি - জেনে নিন!

খুব সহজ উপায়ে একটু ধৈর্য নিয়ে কয়েকটা বিষয়ে অনুসরণ করলেই ব্রণ, ফোঁড়া, রোদে পড়া এই সব বিভিন্ন দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়.

১)পুরানো টক দই ও সামান্য বিট নুন মিশিয়ে ৪-৫ দিন সপ্তাহে লাগান .

২) কাঁচা হলুদ,বেসন র টক দই একসাথে করে ৪-৫ দিন ব্যবহার করুন 

Beauty Tips
How to remove black spot from skin

.
৩)ক্লিনিংজিঙ্ক  মিল্ক ও চিনি মিশিয়ে ব্যবহার করুন ৪-৫ দিন.

৪) গাজর বাটা/রস ,মুলতানি মাটি,কমলা লেবুর রস ,পাতিলেবুর রস একসাথে মিশিয়ে ১/২ ঘন্টা লাগিয়ে রাক্ষুন তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিন.৩ দিন.

৫)দুধের সোর্,কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে লাগান.দাগ-ছোপ দূর হবে.

৬)ছানা ও বেসন একসাথে মিশিয়ে লাগিয়ে নিন,,২-৩ দিন.৭) গাদা ফুলের  পাপড়ি,চন্দন,মধু,দুধ একসাথে মিশিয়ে 20 মিনিট লাগিয়ে রাখুন.
এগুলির মধ্যে যেকোনো একটি ব্যবহার করুন সুফল বাঞ্চনীয়. কেউ চাইলে নিয়মিত একটু আলু/শশার রস ও ব্যবহার করতেই পারেন, তবে নিয়মিত এক্ষেত্রে.

পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ পোস্ট গুলি  আর পেতে থাকুন ফ্রি টিপস -

দৈনন্দিন রূপ চর্চার সহজ কিছু টিপস ?


(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.)