দৈনিক জীবনের ব্যাস্ততার জন্য সময়ের অভাবে শীতকালে যারা সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় পান না শীতকালীন শুষ্ক আবহাওয়ায় তাদের গাল ,হাত ফেটে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।বিশেষ করে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন না নিলে খুব তাড়াতাড়ি শীতকালে তাদের গাল ফেটে যায়।সে ছোট হোক বা বড় শীতকালীন শুস্ক আবহাওয়ার জন্য আমাদের স্কিন ড্রাই হয়ে যায় এবং ফেটে যায়, এটা যাতে না হয় তার জন্য আমাদের স্কিনের ময়শ্চারটা লক করতে হবে স্কিন থেকে ময়শ্চার বেরিয়ে যায় বলেই স্কিন ফেটে যায়। তাই সব থেকে জরুরি আমাদের স্কিন পরিষ্কার রাখতে হবে তবে স্কিনের ময়শ্চার লক করা যাবে। নিম্নে কিছু ঘরোয়া টিপস দেওয়া হল যা ব্যবহার করলে আপনার বা আপনার বাচ্চার গাল ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন। দেখে নিন সেই দুর্দান্ত টিপস গুলি....
১. প্রথমত গাল ফেটে গেলে একটু গরম জলে তুলো ভিজিয়ে সেই তুলো দিয়ে আস্তে আস্তে গাল পরিষ্কার করে নিন। এবার পরিষ্কার করে ফাটা জায়গায় বেশি করে একটু মশ্চারাইজার তুলো দিয়ে লাগিয়ে নিন।
২. দ্বিতীয়তঃ ফেটে যাওয়া জায়গায় দুধের শ্বর ১-২ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। এতে খুব তাড়াতাড়ি ফাটা ত্বক মসৃণ ও চকচকে হয়ে উঠবে।
৩. তৃতীয়তঃ গাল ফেটে গেলে বা মুখের ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে কাঁচা দুধ তুলো করে পুরো মুখে বা ফাটা জায়গায় লাগিয়ে ১-২ ঘন্টা পর ধুয়ে নিন।দুধ ত্বকে ময়শ্চারটা এর যোগান দেয় ফলে শুষ্ক ও খসখসে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
৪. চতুর্থত ১ চামচ গ্লিসারিন ও ১ চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়ে গালের ফাটা অংশে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন ।এটা ২-৩ তিন দিন ব্যবহার করলে গালের ফাটা অংশ ঠিক হয়ে যাবে এবং মুখ দেখাবে মসৃণ ও সুন্দর।
উপরিউক্ত ঘরোয়া পদ্ধতি গুলি সঠিক মত ব্যবহার করলে আপনি অবশ্যই শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা ও ফাটা থেকে রেহাই পাবেন এবং আপনার ত্বক দেখবে মসৃণ ও লাবণ্যময়ী।
(Note - This is informative article, before apply you can consult with the beauty expert or doctor and then apply. if any type of problem arise after using above remedies, we will be not responsible)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন