শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১

ঘরোয়া উপায় চোখের যত্ন কিভাবে নেবেন ?

ছোট্ট একটি টোটকা জেনে নিন :

চোখের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপায় হল চোখ ম্যাসাজ করা। ম্যাসাজের মাধ্যমে চোখে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।

১। হাতে সামান্য অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল নিয়ে নিন 
২। তারপর হাতের আঙুলের সাহায্যে চোখের চারপাশে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন 
৩। প্রতিদিন ১ বার চোখে এইভাবে ম্যাসাজ করুন।

chokher jotno



শসা স্লাইস করে কেটে নিন, তারপর ১০-১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন 
২। শুয়ে পরুন, ঠাণ্ডা শসা চোখের ওপরে দিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট 
৩। তারপর পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন 
৪। চোখের প্রয়োজনে মাঝে মাঝেই এই কাজটি করতে পারেন। আপনি চাইলে একই উপায়ে আলু দিয়ে চোখের যত্ন নিতে পারেন।

Note - We post tips, based on our writers experience, Google research. Plz consult with the health consultant before apply this! We are not liable for any kind of health trouble!

শনিবার, ২২ মে, ২০২১

রোদে পোড়া ট্যান থেকে ত্বককে উজ্বল ও আকর্ষণীয় করে তোলার ঘরোয়া উপায়

 রোদে আমাদের সবাইকেই কম বেশি বেরোতে হয়। আর সেক্ষেত্রে আমাদের ট্যানের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।এই ট্যান পড়লেই ত্বক তার উজ্বল্য হারিয়ে ফেলে।সান্সক্রিম কিছুটা সাহায্য  করলেও,পরে আমরা ভাল ভাবেই টের পাই আমাদের ত্বকের কতটা ক্ষতি হয়েছে।বাজারে চলতি বিভিন্ন ট্যান রিমুভাল প্রোডাক্টের থেকেও ঘরোয়া উপকরণ বেশি উপকারি।সেজন্যই আপনাদের আজ জানাবো দারুন ঘরোয়া একটি উপায় যার সাহায্যার্থে সহজেই আপনারা ত্বকে ট্যান এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন এবং আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্বল ও আকর্ষনীয়।

আসুন জেনে নিন উপায়টি --


উপকরণঃ 

        ১. টক দই 
        ২. বেসন 
        ৩. কাঁচা হলুদ বাটা 
        ৪. গোলাপ জল 




ব্যবহার পদ্ধতিঃ 

একটি ছোট বাটিতে বেসন নিন, তার মধ্যে মেশান কাঁচা হলুদ বাটা, দই আর গোলাপজল। এবার সব গুলো উপকরণ থকথকে করে গুলে প্যাক তৈরি করে নিন। স্নানের আগে এই প্যাকটি ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে চক্রাকারে হাত ঘুরিয়ে তুলে স্নান সেরে নিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনি অবশ্যই ট্যানের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

(Note - This is just a common information we will provide in this blog. plz check and concern doctor before use these home remedies in your skin.) 


শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১

জেনে নিন ডাবের জল আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী

 ডাবের জল যে আমাদের শরীরের জন্য উপকারী এটা মোটামুটি সবারই জানা। কিন্তু ডাবের জল ঠিক কতটা উপকারী বা  ঠিক কী কী উপকার ডাবের জল খেলে আপনি পাবেন, এবং কেন তা কি জানা আছে? আসুন জেনে নেওয়া যাক ডাবের জলের আশ্চর্য সব উপকারিতা...




১.ডাবের জলে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস থাকে তাই ডাবের জল মুখে লাগালে ত্বক শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে আর্দ্রতায় পরিপূর্ণ হয়।

২. ডাবের জল শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে হাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৩. ডাবের জলে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ও ডায়াটারি ফাইবার ইনসুলিনের কর্ম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৪. নিয়মিত ডাবের জল খেলে শরীরের অতিরিক্ত ক্লোরিন, পটাশিয়াম ও সাইট্রেট বেরিয়ে যায় এবং কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫. ডাবের জলে থাকা বায়ো- এক্টিভ এনজাইম, যা হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের সঠিক ভাবে মেটাবলিজম হতে সাহায্য করে।

৬. ডাবের জলে থাকে প্রচুর পরিমাণ ইলেকট্রোলাইটস, তাই নিয়মিত এটি খেলে ডিহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

৭. কচি ডাবের জল শরীরের মেদ ঝরিয়ে দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে..

▪︎ডাবের জলের গুণাবলী বলে শেষ করা যাবে না। শুধু স্বাদে নয় গুণেও ভরপুর এই মিষ্টি পানীয়। ডাবের জল খেলে আপনি থাকবেন সুস্থ এবং ঝরঝরে। তাই এই গরমে চুটিয়ে ডাবের জল খান এবং শরীরকে সুস্থ ও  তারজাটা রাখুন।

(Note - This is informative article, before apply you can consult with the beauty expert or doctor and then apply. if any type of problem arise after using above remedies, we will be not responsible)


রবিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১

শীতকালীন গাল ফাটা প্রতিরোধ করতে দারুন ঘরোয়া টিপস দেখে নিন!

 দৈনিক জীবনের ব্যাস্ততার জন্য সময়ের অভাবে শীতকালে যারা সঠিকভাবে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় পান না শীতকালীন শুষ্ক আবহাওয়ায় তাদের গাল ,হাত ফেটে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।বিশেষ করে বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন না নিলে খুব তাড়াতাড়ি শীতকালে তাদের গাল ফেটে যায়।সে ছোট হোক বা বড় শীতকালীন শুস্ক আবহাওয়ার জন্য আমাদের স্কিন ড্রাই হয়ে যায় এবং ফেটে যায়, এটা যাতে না হয় তার জন্য আমাদের স্কিনের ময়শ্চারটা লক করতে হবে স্কিন থেকে ময়শ্চার বেরিয়ে যায় বলেই স্কিন ফেটে যায়। তাই সব থেকে জরুরি আমাদের স্কিন পরিষ্কার রাখতে হবে তবে স্কিনের ময়শ্চার লক করা যাবে। নিম্নে কিছু ঘরোয়া টিপস দেওয়া হল যা ব্যবহার করলে আপনার বা আপনার বাচ্চার গাল ফাটা প্রতিরোধ করতে পারবেন। দেখে নিন সেই দুর্দান্ত টিপস গুলি....


১. প্রথমত গাল ফেটে গেলে একটু গরম জলে তুলো ভিজিয়ে সেই তুলো দিয়ে আস্তে আস্তে গাল পরিষ্কার করে নিন। এবার পরিষ্কার করে ফাটা জায়গায় বেশি করে একটু মশ্চারাইজার তুলো দিয়ে লাগিয়ে নিন।
Winter skin care


২. দ্বিতীয়তঃ ফেটে  যাওয়া জায়গায় দুধের শ্বর ১-২ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। এতে খুব তাড়াতাড়ি ফাটা ত্বক মসৃণ ও চকচকে হয়ে উঠবে।

৩. তৃতীয়তঃ গাল ফেটে গেলে বা মুখের ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে কাঁচা দুধ তুলো করে পুরো মুখে বা ফাটা জায়গায় লাগিয়ে ১-২ ঘন্টা পর ধুয়ে নিন।দুধ ত্বকে  ময়শ্চারটা এর যোগান দেয় ফলে শুষ্ক ও খসখসে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

৪. চতুর্থত ১ চামচ গ্লিসারিন ও ১ চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিয়ে গালের ফাটা অংশে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে রেখে সকালে ধুয়ে নেবেন ।এটা ২-৩ তিন দিন ব্যবহার করলে গালের ফাটা অংশ ঠিক হয়ে যাবে এবং মুখ দেখাবে মসৃণ ও সুন্দর।

উপরিউক্ত ঘরোয়া পদ্ধতি গুলি সঠিক মত ব্যবহার করলে আপনি অবশ্যই শীতকালে ত্বকের শুষ্কতা ও ফাটা থেকে রেহাই পাবেন এবং আপনার ত্বক দেখবে মসৃণ ও লাবণ্যময়ী।  
(Note - This is informative article, before apply you can consult with the beauty expert or doctor and then apply. if any type of problem arise after using above remedies, we will be not responsible)